তিলোত্তমা মেহেন্দিগঞ্জ_5

এবার আসাযাক আরো কিছুটা বিস্তারিত বর্ণনায়।

এই অঞ্চলটি বর্তমান আধুনিকতায় আলোরন সৃষ্টি কারী কোন নামি সিটি শহর না হইলেও সব মিলিয়ে দামিতো বটেই।
যদিও নদীর কড়াল গ্রাসে ক্ষত বিক্ষত হয়ে স্থানীয়রাই অন্যত্র পালাইতে ব্যস্ত। 
তাই এর উন্নয়ন কর্মে কাহারোই তেমন কোন আগ্রহ নেই। 
যেকারণে মন মাতানো জলাঞ্চলে পরিবিষ্ট অতিব সুন্দর দর্শনিয় দ্বীপ কুঞ্জ গুলো আপন উদ্দিপনায় সেঁজে থাকিলেও প্রচার অবহেলায় যা রহিয়াছে পর্যটক প্রেমিদের ধারনার বাহিরে। যেকারণে আধুনিক যুগের কোন ভ্রমন বিলাসী এখানকার এমন পরিবেশের কোন খবরই জানেননা। তাই তাদের ভ্রমন পিয়াস মিটাইতে কেহই এখানে আসেননা।  
অথচ পাচ্যাত্তের এমন কোন ইতিহাস নাই যার কোন একটার সাথে এই দ্বীপাঞ্চলটি জড়িতনা। যত হাজার সাল আগে যখনই সভ্যতার বিবর্তন শুরু হয়েছে তখনই এই দ্বীপটা আবিষ্কার হয়েছে।
কেননা মানব সভ্যতার প্রাগলে দূর পরিভ্রমনের প্রথম উপায় জলপথ। সেই সুত্রধরেই কালের প্রবাহে মানব পরিবিষ্টতায় সৃষ্ট ভাটীর মুল্লুকের রাজপাট। যার পরিপাটি অলংকরনে নর্মিত জারী সারী পুথী ভাটীয়ালী গান গল্পের অন্তনাই।

যাক সেইসব আলোচনা পর্যায়ে হবে এখন তবে ৮ প্রসংগের ১ নাম্বারের থেকেই আলোচনা শুরু করাযাক।
এখানের প্রত্যেকটা দ্বীপই ওতপ্রত ভাবে সর্বদাই মানব কল্যানে নিয়োজিত থাকে।
এরমধ্যে যে সব চরগুলো জোয়ার ভাটার নিয়ন্ত্রনে চলে 

Comments